এন্ড্রয়েড গেম ডেভেলপমেন্ট ( সাতটি গেম প্রজেক্ট ) Unity এবং C# এর সাহায্যে
ম্পিউটারে অথবা গেম কনসোলে (এক্সবক্স) ফার ক্রাই ফাইভ, কল অফ ডিউটি, ফাইনাল ফ্যান্টাসি অথবা এনড্রয়েড, আইওএসে বিভিন্ন অনলাইন মাল্টি-প্লেয়ার গেম খেলতে খেলতে আপনার ইচ্ছা হলো গেম তৈরি করবেন। আর হয়ে উঠবেন একজন টপ গেম ডেভলপার। কিন্তু বুঝতে পারছেন না কোথায় থেকে শুরু করতে হবে, কি কি শিখতে হবে অথবা কতজনের টিম নিয়েই কাজ শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
গেম ডেভBloন্টের হাতে: যেভাবে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন একজন গেম ডেভেলপার
কম্পিউটারে অথবা গেম কনসোলে (এক্সবক্স) ফার ক্রাই ফাইভ, কল অফ ডিউটি, ফাইনাল ফ্যান্টাসি অথবা এনড্রয়েড, আইওএসে বিভিন্ন অনলাইন মাল্টি-প্লেয়ার গেম খেলতে খেলতে আপনার ইচ্ছা হলো গেম তৈরি করবেন। আর হয়ে উঠবেন একজন টপ গেম ডেভলপার। কিন্তু বুঝতে পারছেন না কোথায় থেকে শুরু করতে হবে, কি কি শিখতে হবে অথবা কতজনের টিম নিয়েই কাজ শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
১. আইডিয়া
গেম তৈরির সর্বপ্রথমে যে বিষয়টি আসে সেটি হচ্ছে গেম আইডিয়া। গেম আইডিয়া বলতে কী ধরনের গেম হবে, কী কী ফিচার থাকবে অথবা কত এক্সাইটেড অ্যাকশন থাকবে, তা নয়। আপনি কোন ধরনের গেম তৈরি করবেন অথবা তার ফিচার কী হবে সেটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে মার্কেটে যাচাই না করে গেম তৈরি করলে সে গেম আপনার দৃষ্টিভঙ্গিতে যতই ভালো আর অসাধারণ হোক না কেন, কেউই খেলবে না। তাই কিছু বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে।
যেমন
- কাদের উদ্যেশ্যে গেমটি বানানো হচ্ছে। অর্থাৎ কোন বয়সী মানুষ অথবা কোন শ্রেণীর মানুষ এ গেমটি খেলবে, তাদের চাহিদা আর পছন্দ এসব যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন বর্তমানে বাচ্চাদের মধ্যে দেখা যায় মেকআপ গেম ভালো বাজার তৈরি করছে। আর টিনএজার থেকে পঁচিশ ত্রিশ বছর বয়সীরা খেলছে বিভিন্ন ধরনের মাল্টিপ্লেয়ার অনলাইন গেম। এখন যদি টিনএজারদের জন্য আপনি মেকআপ গেম তৈরি করেন সেটা নিশ্চয়ই চলবে না।
- কেন প্লেয়াররা এই গেমটি খেলবেন? একই ধরনের বিভিন্ন গেম বাজারে থাকতেও সেগুলো বাদ দিয়ে তারা কেন আপনার তৈরি গেমটি খেলবেন?
- সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গেমটি কি মজার? এর কোন অংশটা আনন্দদায়ক অথবা ইন্টারেস্টিং?
- গেমটি খেলতে হলে প্লেয়ারের কোনো অভিজ্ঞতা থাকতে হবে কিনা? কতটুকু থাকতে হবে আর কোন অভিজ্ঞতা না থাকলেও কি খেলতে পারবে?
- প্লেয়ারদের জন্য কী ধরনের সারপ্রাইজ রয়েছে। সেগুলো গেমটিতে কতটুকু ইন্টারেস্টিং করে তুলবে?
- সর্বশেষে যে বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে সেটা হচ্ছে কোন কোন ধরনের সমস্যা এই গেমটিতে প্লেয়ারকে সমাধান করতে হবে।
এসব বিষয় যখন মাথায় রেখে আপনি গেম আইডিয়া তৈরি করবেন তখন সে গেমটির ভবিষ্যতে জনপ্রিয়তা পাওয়ার সম্ভবনা অনেকাংশে বৃদ্ধি হয়।
২. গেম ইঞ্জিন
গেম আইডিয়া বাছাই করে এরপর পছন্দ করুন আপনার গেম ইঞ্জিন। গেম ইঞ্জিন হলো গেমের পরিবেশ ডেভলপ করার সফটওয়্যার। বাড়িঘর, গাছপালা, ক্যারেক্টার মুভমেন্ট, দ্বিমাত্রিক অথবা ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স, সাউন্ড সিস্টেম, এনিমেশন, নেটওয়ার্কিং, অবজেক্টের ফিজিক্স এবং কলিশনসহ আরো অনেক কিছুই ইনপুট গেম ইঞ্জিনের মাধ্যমে করা হয়। বলা যায়, গেমের অর্ধেকের বেশি কাজ গেম ইঞ্জিনের মাধ্যমে হয়।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের গেম ইঞ্জিন পাওয়া যায়। এদের মধ্যে অনেকগুলোই প্রায় বিনামূল্যে পাওয়া যায়। ইউনিটি ফাইভ আর আনরিয়েল ইঞ্জিন ফোর বর্তমানের নতুন গেম ডেভলপারদের মার্কেটে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। এছাড়াও বাজারে গো-ডট, ক্রাই ইঞ্জিন, গেম মেকারের ব্যবহার দেখা যায়। তবে চিন্তার বিষয় হলো আপনি কোনটি ব্যবহার করবেন।
সেক্ষেত্রে আমি বলবো না আপনি ইউনিটি অথবা আনরিয়েল ইঞ্জিনের যেকোন একটি ব্যবহার করতে হবে। আপনি সবগুলোই একটার পর একটা ব্যবহার করে দেখুন। সেগুলো ব্যবহার করে দেখুন কোনটা আপনার গেমের জন্য ভালো হবে। কিছুটা সময় লাগলেও একসময় আপনার কাজের জন্য যথাযথ গেম ইঞ্জিন খুঁজে যাবেন। আর গেম ইঞ্জিনের কোনো কাজ জানেন না? একদম চিন্তা করবেন না। ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে এসব ইঞ্জিনে কাজ শেখার টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। সেগুলো থেকে আপনি দ্রুতই গেম ইঞ্জিনের কাজ শিখতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে আমি কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেলের লিংক দিলাম।
ইউনিটি ফাইভ: Click Here.
আনরিয়েল ইঞ্জিন: Click Here.
৩. এসেট তৈরি
গেমের সবকিছু যেসব গেমের মধ্যে দেখা যায় যেমন বাড়িঘর, পাথর, গাছপালা, মিউজিক, সাউন্ড ইফেক্টসহ যা কিছু আছে সবকিছু গেম এসেটের অন্তর্ভুক্ত। ক্যারেক্টার ফিজিক্স, গাড়ি, আইকন, এ.আই, স্পেশাল ইফেক্ট, নেটওয়ার্কিং এসবও গেম এসেট। এইসব এসেট বিভিন্ন গেম ইঞ্জিনের মাধ্যমে ব্যবহার করেই মূলত গেম তৈরি হয়।
নিশ্চয়ই ভাবছেন এসেট কিভাবে তৈরি করা হয়? বিভিন্ন ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স ডিজাইনিং সফটওয়্যার যেমন অটোক্যাড, সলিডওয়ার্কের মাধ্যমে এসেট তৈরি করা হয়। তবে এই সফটওয়্যার জটিল মনে হচ্ছে ? তাহলে আপনার জন্য কাজ আরো সহজ করতে রয়েছে ফ্রি উন্মুক্ত সফটওয়্যার ব্লেন্ডার। বাড়িঘর ডিজাইন করার জন্য রয়েছে স্কেচআপ। উল্লেখ্য, এই স্কেচআপ দিয়ে আপনি বাড়ির ইন্টেরিয়র ডিজাইনিংয়ের কাজও করতে পারবেন। এছাড়া আপনি যদি এসেট তৈরি করার জন্য সময় না দিতে চেয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এসেট কিনতে পারবেন। চাইলে এসেট নিজে তৈরি করে সেসব ওয়েবসাইটে বিক্রি করতেও পারবেন।
স্কেচআপ : Click Here.
ব্লেন্ডার : Click Here.
৪. কোডিং এবং আর্টস
আপনি খুব ভালো ছবি আঁকতে পারেন কিন্তু কোডিং পারেন না অথবা ভালো কোডিং করতে পারেন কিন্তু ক্যারেক্টার ডিজাইনে খুবই দুর্বল এমন হলেও দুশ্চিন্তা করার দরকার নেই। কোডিং হুট করে শেখা সম্ভব না হলেও শেখা কঠিন নয়। ছোট ছোট গেমে বিভিন্ন ইঞ্জিনের সাহায্যে কয়েক লাইনের কোড লিখেও অসাধারণ গেম তৈরি করা সম্ভব। আবার অনেক বিখ্যাত গেম আছে যেমন মাইনক্রাফ্ট গ্রাফিক্সে অসাধারণ না হয়েও বিখ্যাত গেমের একটি। অসাধারণ গেম তৈরি করতে হলেই যে অসাধারণ গ্রাফিক্স থাকতে হবে এমনটা নয়।
তাই হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তবে আপনাকে এক পর্যায়ে কোডিং শিখতেই হবে। সেক্ষেত্রে যেসব প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে আপনি হাত রপ্ত করতে পারেন সেগুলো এক পলকে দেখে নিতে পারেন।
C++
সবথেকে সর্বজনীন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। শুধু সি প্লাস প্লাস অথবা সি শিখে আপনি বিভিন্ন ধরনের গেম তৈরি করতে পারবেন। বলা হয়ে থাকে সি অথবা সি প্লাস প্লাস প্রতিটি প্রোগ্রামারের জানা উচিত। আর হ্যাঁ, সকল গেম ইঞ্জিনে সি প্লাস প্লাস সাপোর্ট করে।
C sharp অথবা Java
সাধারণত এই দুটো ল্যাংগুয়েজের একটি ভালোভাবে শিখলেই চলবে। তবে কেউ যখন এক্সপার্ট লেভেলের গেম ডেভলপমেন্টের কাজ ধরবে তখন দুটোই জানা প্রয়োজন। সি শার্প মূলত ইউনিটি গেম ইঞ্জিনের জন্য সেরা। এই প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এন্ড্রয়েড গেম ডেভলপমেন্টের জন্য ইউনিটিতে ব্যবহার হয়। টেম্পল রান গেমে সি শার্প ব্যবহার করা হয়েছে।
HTML 5
শুধুমাত্র এইচটিএমএল ফাইভ দিয়েও অনেক ধরনের গেম তৈরি করা যায়।
৫. ডেভলপার টিম
একটা গেম ডেভলপমেন্ট একা করা যায় না এমনটা না হলেও, বড় বড় গেম তৈরির পিছনে রয়েছে চল্লিশ জনের বেশি মানুষ নিয়ে গড়া ডেভলপার টিম। তবে বেসিক একটা টিম তৈরি করতে যেসব লোক প্রয়োজন হবে, অথবা গেম তৈরিতে টিমের মানুষদের যেসব বিষয়ে জ্ঞান প্রয়োজন তার একটা ধারণা দিচ্ছি।
- কনসেপ্ট আর্টিস্ট: যিনি বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ ম্যাটারিয়েলসহ স্কেচ, ড্রাফট, ক্যারেক্টার ক্রিয়েশন, ম্যাপ, অবজেক্টের দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক ডিজাইন করেন।
- লেভেল ডিজাইনার: বিভিন্ন থার্ডপার্টি ডিজাইনিং টুল যেমন আনরিয়েল ইডি অথবা ত্রিডি আর্টস প্যাকেজের কাজসহ, দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক মডেলিং এর কাজ করে থাকে। এছাড়া গেম ম্যাপিং ও এর কাজের অন্তুর্ভুক্ত।
- মডেলার: সাধারণত মডেলারের কাজ হচ্ছে দ্বিমাত্রিক আর্টওয়ার্ককে ত্রিমাত্রিক এসেটে কনভার্ট করা আর পলিগনাল মডেলিং করা।
- এনিমেটর: সাধারণত ক্যারেক্টারের কন্ট্রোল সিস্টেম আর গেমের মোশন সিস্টেম নিয়ে কাজ করে থাকে।
- সফটওয়্যার ডেভলপার: কোডিং আর গেমের ফাংশনাল ইন্টেগ্রেটিং আর ফন্ট-এন্ড ও ব্যাক-এন্ড প্রোগ্রামিং একজন সফটওয়্যার ডেভলপারের কাজের অংশ হয়ে থাকে।
এছাড়া টিমে একজন ওয়েবসাইট ডিজাইনার, সকল বাজেট নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের জন্য প্রজেক্ট ম্যানেজার আর কোয়ালিটি ইঞ্জিনিয়ারের ও প্রয়োজন হয়ে থাকে।
এখন ধরা যাক আপনি পুরোপুরি একজন নব্য ডেভলপার। গড অফ ওয়্যার অথবা ফাইনাল ফ্যান্টাসি দেখে গেম তৈরিতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। আর তৈরি করতে চাচ্ছেন সেই লেভেলের একটি গেম। সেক্ষেত্রে আমি বলবো প্রথমে আপনার টার্গেট ছোট রাখতে। কারণ আপনি সারাজীবন যদি এমন একটি গেম তৈরির পিছনে কাজ করে থাকেন তারপরও তৈরি করতে পারবেন না। তাই প্রথম উপদেশ হচ্ছে, আপনার প্রথম বানানো গেম যত সম্ভব সিম্পল রাখুন। কারণ আপনার বর্তমান অভিজ্ঞতা আর যোগ্যতা দিয়ে সুপার মারিও এর মতো গেম তৈরি করাও সম্ভব না।
বেশিরভাগ মানুষ কল অফ ডিউটি অথবা মাল্টিপ্লেয়ার গেম তৈরির উদ্যেশ্য নিয়ে কাজ শুরু করে এরপর কিছুদিন পার হওয়ার পর যখন কিছুই বানাতে পারে না তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেন। যদি না আপনার নিজের ক্ষেত্রে তেমন ঘটতে না দিতে চেয়ে থাকেন তাহলে প্রথম টার্গেট রাখেন সিম্পল গেম তৈরি। আর মনে রাখবেন, বাজারে এখনো অনেক সিম্পল গেম প্রচুর জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। মূল বিষয় হচ্ছে, গেম ডেভলপমেন্টে লেগে থাকা। আর ছোট ছোট গেম দিয়ে শুরু করা। ছোট ছোট গেম তৈরি করতে করতে যখন আপনার যথেষ্ট যোগ্যতা আর অভিজ্ঞতা হবে তখন একটি টিম তৈরি করে হয়তো বড় কোন গেম তৈরিতে মনোযোগ দিতে পারবেন।
বর্তমানে ভিডিও গেমের বাজারটি বেশ সমীহ করার মতই। শুধুমাত্র ২০১৮ সালেই শীর্ষ পাঁচ গেম নির্মাতা দেশগুলি ৯৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে। তবে ধীরে ধীরে যে ঘরানার গেমটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে আসছে, তা হলো ওপেন ওয়ার্ল্ড গেম। সবচেয়ে চমকপ্রদ, কাহিনী ভরপুর এই ঘরানাটিতে যেমন আয় হচ্ছে, তেমন নির্মাণেও রয়েছে অনেক জটিলতা। এটি কিভাবে নির্মাণ হয় তা জানার আগে আসুন জেনে নিই ওপেন ওয়ার্ল্ড গেম কোনগুলি।
'ওপেন ওয়ার্ল্ড' টার্মটির কোন নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি। কিন্তু সাধারণত এমন গেমগুলিকেই ওপেন ওয়ার্ল্ড বলা হয় যেখানে গেমার বিশাল মানচিত্রের পুরো একটি ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াতে পারে এবং গেমারের একই অবজেক্টিভ ভিন্ন ভিন্নভাবে সম্পূর্ণ করার স্বাধীনতা থাকে। বোঝাই যাচ্ছে গেমের গল্প বলার ধরন হবে নন লিনিয়ার ধাঁচের।
১৯৭০ সালে প্রথম ওপেন ওয়ার্ল্ড আর্কেড গেমের মুক্তি দেয় গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সেগা; এর নাম ছিল 'জেট রকেট'। এই ঘরানার প্রথম ভিডিও গেমটি বাজারে ছাড়ে টাইতো কর্পোরেশন, যার নাম ছিল 'ওয়েস্টার্ন গান'। তবে সবচেয়ে প্রভাবশালী ওপেন ওয়ার্ল্ড গেম ছিল 'দ্য লিজেন্ড অফ জেলডা'। ১৯৮৬ সালে এটা প্রকাশ করেছিল বিখ্যাত নিনটেন্ডো কোম্পানি। বর্তমানের অনেক ওপেন ওয়ার্ল্ড গেম এখনো এর দ্বারা প্রভাবিত। যেমন 'মেট্রয়েড' অনুপ্রাণিত হয়েছিল এর নন লিনিয়ার গেমপ্লেতে। এটি একটি বিশেষ ধারার ডিজাইনেরও সূচনা করেছিল যেটা গ্র্যান্ড থেফট অটো বা উইচার সিরিজ অনুসরণ করে আসছে। ২০০১ সালে 'গ্র্যান্ড থেফট অটো থ্রি' ওপেন ওয়ার্ল্ড গেমের একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট করেছিল যা এর পর থেকে অনুসরণ করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় সব প্রধান গেম বা গেম সিরিজগুলোই ওপেন ওয়ার্ল্ড ঘরানার হয়ে থাকে যেমন স্কাইরিম, গ্র্যান্ড থেফট অটো কিংবা অ্যাসাসিনস ক্রিড। এমনকি ব্যাটম্যান, ফাইনাল ফ্যান্টাসি, মেটাল গিয়ার সলিডের মত প্রতিষ্ঠিত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোও তাদের নতুন ইন্সটলমেন্টের জন্যে ওপেন ওয়ার্ল্ড ডিজাইনকে বেছে নিচ্ছে।
এন্ড্রয়েড গেম ডেভেলপমেন্ট ( 7 Game Project ) Unity এবং C# এর সাহায্যে
বর্তমানে সারাবিশ্বে playstore অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য Game পাবলিশ করার ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছে। সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় Playstore দৈনিক মুক্তি পাচ্ছে প্রায় হাজারো Game। কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যাচ্ছে আবার অনেক developer এবং প্লে স্টোর Band করে দিচ্ছে আবার অনেককে। কেননা উন্নত game ডেভলপ না করলে সেগুলো user কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে না।
এই Course মাধ্যমে আপনারা শিখবেন কিভাবে একটি Android Game পরিমার্জিত ভাবে তৈরি করতে হয়। এই Course Game Development এর কোয়ালিটির দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থাৎ ভালো কোয়ালিটি পূর্ণ Game তৈরি করতে পারবেন এই কোর্সটি শেষ করার পর।
What you'll learn
- Build Fully Featured Android Games
- Learn C# Fundamentals for Building Games
- Build & Run Your Games on Android Devices
- Monetize Your Games with Video Ads
- Create 7 Android Games With Unity
- Learn Game Development
- Fundamentals
- List Of Things You Will Learn:
- Build & Run Your First Android Game in 1 Hour
- Learn C# Basic for Building Games with Unity
- Create A Dodging dog Game
- Build A Ball Smash Android Game
- Create A Line Runner 2D Game
- Make A Food Eater Game in 15 Minutes
- Build A 3D Endless Runner Hypercasual Game
- Create A 3D Tappy Ball Game
- Implement Video Ads In Your Game
- Reward Your Players with Rewarded Video Ads
- Requirements
- Basic Understanding of Unity & C#
- Build a strong foundation
Unity Installation & Setup
Android Game Examples
C# Scripting for Unity
Quick Prototyping
Game Monetization
2D & 3D Game Development
কোর্সের নাম : Unity Android 2021 : Build 7 Games with Unity and C#
কোর্স দাম : ১৩৫ ডলার
সাইজ : প্রায় ৭ জিবি
ভাষা : ইংরেজি
শিখছে : ৫৭৪ ছাত্র
রেটিং : ৪.৭/৫ (৮৪ জন সার্টিফিকেটকৃত ছাত্র )
course download :









Comments
Post a Comment